সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী’তে বিধবা নারী ও সন্তানদ্বয় অবরুদ্ধ!! জীবননাশের হুমকি।

জিয়াউর রহমান ঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪ নং ফিংড়ী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত সন্দীপ দাসের স্ত্রী বিধবা শান্তনা দাস(৪০)তার এতিম দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। সরেজমিনে জানা যায়-
ভুক্তভোগী শান্তনা দাস বলেন- আমার স্বামীর মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া গচ্ছিত নগদ অর্থ সত্য দাশের পুএ মৃত রমেশ দাস কে দোকান তৈরীর জন্য ধার দেন। তিন মাস আগে সত্য দাশের পুএ রমেশ দাস পারিবারিক কলহের কারণে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্নহত্যা করেন রমেশের নিজ বাড়িতে। মৃত্যুর আগে বিধবা সান্তনা দাসের সাথে রমেশ দাসের আর্থিক লেনদেন থাকে, বিধবা সান্তনা দাসের কাছ থেকে রমেশ দাস ব্যবসা করার জন্য ৩ লক্ষ টাকা ধার নেন, রমেশ দাস মৃত্যুবরণ করার পরে মৃত রমেশ দাসের বাবা সত্য দাসের কাছে বিধবা সান্তনা দাস পাওনা তিন লক্ষ টাকা চাইতে গেলে, মৃত রমেশ দাশের বাবা সত্য দাস ও তাদের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন ভাবে তাকে হয়রানিও প্রাননাশের হুমকি দিতে থাকে, এসময় বিধবা ও তিন সন্তানের জননী শান্তনা দাস কিছুদিন বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৩ আগস্ট ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু বাড়িতে ফেরার পর তাকে ঘরের দরজা বন্ধ করে আটকে রাখা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় মৃত রমেশের পরিবার, সত্য দাস এবং রমেশের মেয়ে প্রকাশ্য দিবালকে ঘরের চালে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগানোরও চেষ্টা করেন। প্রায় দুই দিন আটকে থাকার পর বিধবা শান্তনা দাসের স্বজন ভীম দাস ও স্থানীয় দুই সংবাদকর্মী ও স্থানীয়রা তাকে ও তার সন্তানদের উদ্ধার করেন বলে তিনি জানান।এব্যপারে সাতক্ষীরা থানায় জিডি/মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়। পরে, শান্তনা দাস সাতক্ষীরা আঞ্চলিক প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের ও তার সন্তানদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এখনও তাকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিধবা শান্তনা দাসের একটাই দাবি—তিনি যেন তার এতিম দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে স্বামীর ভিটায় নিরাপদে বসবাস করতে পারেন। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *