জাকারিয়া হত্যার মূল হোতা নাহিদের ফাঁসির দাবি সাতক্ষীরাবাসীর

হোসেন আলী খুলনা বিভাগীয় প্রধানঃ

সাতক্ষীরা আলোচিত জাকারিয়া হত্যার মূল আসামী নাহিদের আটকের পর থেকেই সাতক্ষীরা বাসীর সকলের একটাই দাবী অতি দ্রুত এই হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান সহ মূল হোতা নাহিদের মুত্যুদন্ড রায় সহ রায়ের কার্যকরী করা যেন আর কোনো মায়ের কোল খালি না হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় গত শুক্রবার রাত ১১.৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা পশু হাসপাতাল সঙ্গীতা মোড় সংলগ্ন চায়ের দোকানে জাকারিয়া বসে চা খাচ্ছিল এমন সময় নাহিদ সহ তার সহযোগিরা চায়ের দোকানদার ও তার ভাগ্নের সাথে সামান্য বিষয় নিয়ে গন্ডগোল করে পরিবেশ উতপ্ত হয়ে গেলে জাকারিয়া তাদের কে ঠেকানোর উদ্দেশ্যে গেলে নাহিদ হোসেন , পিতা মৃত গিয়াস উদ্দীন  জাকারিয়ার তলপেটে ও বুকে চুরিকাঘাট করে পালিয়ে যায় তখন দোকানদার ও পথচারীদের সঙ্গে নিয়ে জাকারিয়াকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত ডাক্তার জাকারিয়াকে মৃত ঘোষনা করে এর পর থেকেই প্রধান আসামী সহ হত্যার সাথে জড়িত সকল আসামীদের ধরার জন্য প্রশাসনিক পুলিশ সহ আইনশৃংঙ্খলার সদস্যরা নাহিদকে ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তলাশী চালায় পরিশেষে নাহিদ সহ তার আরেক সহকারি সহ নলতা বর্ডার এলাকায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ও ডিবি সদস্যদের হাতে নাহিদ সহ তার সহকারি ধরা পরে বর্তমানে তার পুলিশ হেফাজতে আছে। এই নাহিদ এর বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায় ইটাগাছা গ্রামে নাহিদের পিতা ছিলেন একজন সন্ত্রাসী যার নাম ছিল গিয়াস উদ্দিন যার দাপটে ইটাগাছা সহ সাতক্ষীরাবাসী আতংকে থাকতো তার নির্মল অত্যচারে অতিষ্ট হয়ে মানুষ তাকে পিটিয়ে হত্যা করে এই নাহিদ তার পিতাকেও ছাড়িয়ে গেছে ক্ষুদ্র কথায় সামান্যে কোন কিছুই হলেই চুরি দিয়ে মানুষ কে মারতে তার কোন ভয় করে না এর আগেও মোঃ আজিজুর ইসলাম সাংবাদিক সহ আরো সাংবাদিক, মাদ্রাসার শিক্ষককে চুরিকাঘাট করে কিন্তু থানায় উক্ত বিষয়ে এজাহার হলেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তার কিছুই হয় না। এলাকাবাসী ও সাতক্ষীরা বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় নাহিদের চাচা নাসির উদ্দিন একজন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতা হওয়ার সুবাদে বার বার অপরাধ করেও পার পেয়ে যায়। নাহিদ এমন কোন নেশা নেই যা করে না তাই সাতক্ষীরা বাসীর একটি দাবী সমাজের এই বিশফোঁড়াকে কঠোর শাস্তি ফাঁসিতে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হোক যেন আর কোন জাকারিয়াকে এভাবে বিনা অপরাধে না মরতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *