একটি হুইল চেয়ারের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে ফরিদা।

 জিয়াউর রহমান ঃ মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। এ প্রতিপাদ্য আজ ফরিদার কাছে মিথ্যে মনে হয়। অসহায়ত্ব আর দারিদ্রতার কষাঘাতে তার জীবন আজ জর্জরিত। নিদারুণ নিষ্ঠুর নির্মম নিয়তির কি খেলা খেলছে তার সাথে। সহায় সম্বল ও আশ্রয়হীন ফরিদা দুমুঠো ভাত জোগাড়ের জন্য আজ পথে পথে ভিক্ষাবৃত্তি করতে বাধ্য হয়েছে। হ্যাঁ বলছি – সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ইটাগাছা প্রাইমারি স্কুলের পাশের ফরিদা বেগমের(৪৫) কথা। সন্তান না হওয়ার তার স্বামী অন্যত্র বিয়ে করেন।নিঃসন্তান ফরিদা হয়ে পড়েন আশ্রয়হীন।দূরসম্পর্কের খালু ভ্যানচালক জালালউদ্দিন দয়া করে তাকে আশ্রয় দেন তার বাঁরান্দায়। চুড়ি ফিতা কসমেটিকস সামগ্রী ঝুড়িতে নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে মহিলাদের কাছে বিক্রি করে চলতো তার ছোট্ট সংসার। নিয়তির কি নির্মম পরিহাস টিউবওয়েলের গোড়ায় পা পিছলে পড়ে গিয়ে ভেঙে যায় পায়ের হাড় ও হিপ জয়েন্ট বাটি।বিছানায় কেটে যায় কয়েকমাস।অতঃপর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অপারেশনের পর এক বছর বিছানায় বিশ্রামের থাকার কথা থাকলেও পেটের দায়ে ও ঔষধ কেনার জন্য ক্রেসের উপর ভর দিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে।এই অবস্থায় ভিক্ষা করছেন কেন? বললে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন- প্রতিদিনের ঔষধ ও দুমুঠো ভাতের জন্য এই শরীর নিয়ে আমাকে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। কোমরের একটা বেল্ট কিনতে হবে তার দাম নয় শত টাকা।
তিনি সমাজের বিত্তবান ও দানশীল পরোপকারী ব্যক্তিদের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন কিছু আর্থিক সাহায্য যাতে তিনি ঔষধপত্র ক্রয় করতে পারেন এবং একটি হুইলচেয়ার যেটা তার অসহায়ত্বের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিকাশ ও নগত ০১৭৮৩৭০১০২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *